চোরাই কাঠ পাচারের আগেই দুই আধিকারিক সমেত সাত আটক, চাঞ্চল্য

webtech_news18 | News18 Bangla | 07:04:20 PM IST Aug 04, 2021

ভাস্কর চক্রবর্তী, শিলিগুড়ি: করোনাকালে অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে শিলিগুড়ি! তবে সেই স্বর্গরাজ্যে প্রশাসনের তৎপরতায় বাস আর করতে পারল না দুষ্কৃতীরা। বুধবার শিলিগুড়ি থেকে কলকাতায় চোরাই কাঠ পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার এক কাস্টমস অফিসার এবং এক জিএসটি অফিসার। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া চোরাই কাঠের মূল্য কয়েক লক্ষাধিক টাকা। এদিকে এদিনের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে গোটা শহরজুড়ে।

এদিন কাঠ পাচার করতে গিয়ে ধৃত দুই সরকারি আধিকারিক সমেত আরও ৫জন। ধৃত এস কে মাঝি শুল্ক বিভাগের সুপার ও দেবাশীষ ধর একজন জিএসটি আধিকারিক। এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে ওই সরকারি দফতরে। মঙ্গলবার রাতে বনদফতরের কর্মীরা তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনাকে লজ্জাজনক বললেন বৈকুন্ঠপুর বিভাগের এডিএফও জয়ন্ত মণ্ডল।

বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দিনকয়েক আগে তাদের কাছে খবর আসে শুল্ক বিভাগের গুদামে বিপুল পরিমাণে সেগুন কাঠ লুকোনো আছে। এরপর থেকেই শালুগাড়া রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার সঞ্জয় দত্ত ও তাঁর দল চাররাত জেগে ওঁত পেতে ছিলেন। গোপনে নজরদারি শুরু হয় বন দফতরের। অবশেষে চতুর্থ রাতে অর্থাৎ মঙ্গলবার রাতে ট্রাকে করে শিলিগুড়ি থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে কাঠ নিয়ে রওনা হতেই শিলিগুড়ির অদূরে ঘোষপুকুর এলাকায় তা আটক করা হয়। ওই ট্রাকেই দুই আধিকারিক সমেত মোট ৭জন ছিল। তাদের গ্রেপ্তার করে কাঠগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়।

এবিষয়ে বৈকুন্ঠপুর বিভাগের এডিএফও জয়ন্ত মণ্ডল বলেন, 'এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক ঘটনা। সরকারিকর্মীদের কাজ রক্ষা করা। কিন্তু তারাই যদি পাচারের কাজে যুক্ত হন তাহলে তা দুঃখজনক। আমরা তাদের থেকে প্রায় ২৫লক্ষ টাকার কাঠ উদ্ধার করেছি। এগুলো মিজোরাম থেকে আনা হয়েছিল আর কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আরও কেউ যুক্ত আছে কিনা তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।'

লেটেস্ট ভিডিও