উত্তরবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

৭ ঘন্টা ধরে একটানা চলল বিধ্বংসী ভাঙন! উত্তাল গঙ্গা গিলে খেল শয়ে শয়ে বাড়ি, হাহাকার...

৭ ঘন্টা ধরে একটানা চলল বিধ্বংসী ভাঙন! উত্তাল গঙ্গা গিলে খেল শয়ে শয়ে বাড়ি, হাহাকার...

সকাল ছ'টা নাগাদ শুরু হয় ভয়াবহ ভাঙন। একটানা ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে স্থায়ী হয় ভাঙন। গঙ্গার তাণ্ডবে চোখের সামনে একের পর এক পরিবার ভিটেমাটি হারান।

  • Share this:

#মালদহ: ফের ভয়াবহ গঙ্গা ভাঙন। সকাল থেকে তীব্র ভাঙন বীরনগরে। গঙ্গা গর্ভে প্রায় একশো ঘরবাড়ি। প্রচুর জমি, বাঁশঝাড়, বিদ্যুতের খুঁটি, গাছপালা তলিয়ে গিয়েছে নদীতে। ভাঙনের কবলে বীরনগরের গ্রামীণ রাস্তা। নদীপারের বাড়িঘর ভেঙ্গে সরানোর কাজ শুরু করেছেন গ্রামবাসীরা। এর আগে গত ১, ১৪ সেপ্টেম্বর ভয়াবহ নদী ভাঙন হয় চিনা বাজারে। তলিয়ে যায় শতাধিক বাড়ি। ১৮ সেপ্টেম্বর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বীরনগরের দুর্গারামটোলা ও ভীমাবাজার।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এদিন সকাল ছ'টা নাগাদ শুরু হয় ভয়াবহ ভাঙন। একটানা ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে স্থায়ী হয় ভাঙন। গঙ্গার তাণ্ডবে চোখের সামনে একের পর এক পরিবার ভিটেমাটি হারান। অনেকে মূল্যবান সামগ্রী পর্যন্ত সরানোর সুযোগ পাননি। ভাঙনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে দোতলা পাকা বাড়ি পর্যন্ত চোখের সামনেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বড় বাঁশ ঝাড় ধসে গিয়ে পড়ে নদীর গভীরে। বীরনগর থেকে রাজনগর যাওয়ার গ্রামীণ রাস্তাতেও ছোবল মারে গঙ্গা। ভাঙনে ওই রাস্তার বেশ কিছু এলাকা নদীগর্ভে চলে গিয়েছে। রাস্তার পাশে কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটি নদীতে ভেঙ্গে পড়ে।

স্থানীয় বীরনগর গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য হারুন রশিদ আহত হন। বাড়িঘর ভেঙে সরিয়ে নিতে বাধ্য হন পঞ্চায়েত সদস্য-সহ গ্রামের অনেক পরিবার। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য জানান, এদিন নদী লোকালয়ের দিকে প্রায় দুশো মিটারের বেশি ঢুকে পড়ে। আবার যে কোন মুহূর্তে ভাঙন শুরু হতে পারে এই আশঙ্কায়, বিকেল পর্যন্ত নদীপারের বাসিন্দাদের মধ্যে বাড়িঘর ভেঙে সরানোর তৎপরতা চোখে পড়ে। কালিয়াচক -৩ ব্লকের বিডিও গৌতম দত্ত বলেন, এদিনের ভাঙনের তীব্রতা ছিল আগের অন্যান্য ভাঙনের তুলনায় অনেকটাই বেশি। বেশকিছু আধভাঙা বাড়ি নদীগর্ভে চলে যায়। পাশাপাশি নতুন বেশকিছু বাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ দিকে এ দিনই মালদার বীরনগরে প্রথম দফায় ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৬ টি পরিবারের হাতে সরকারি খাস জমির পাট্টা তুলে দেয় প্রশাসন। পরিবার পিছু এক কাটা করে জমি বরাদ্দ করা হয় পুনর্বাসনের জন্য। এত কম সময়ের মধ্যে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কার্যত নজিরবিহীন। পাট্টা প্রদান অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মালদহের সভাধিপতি, জেলাশাসক সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা।

Sebak DebSarma

Published by: Shubhagata Dey
First published: September 22, 2020, 12:13 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर