#লন্ডন: চিজ, এই নামটা শুনলেই অনেকের জিভে জল আসতে পারে। চিজ দিয়ে দিন শুরু ও শেষ হলে মন্দ হয় না। স্যান্ডউইচ, বার্গারের পাশাপাশি শুধু শুধু চিজ খান এমন অনেকেই রয়েছেন। যে কোনও চিজ যে কোনও খাবারের সঙ্গে দিলেই যেন খাওয়া হয়ে যায়। কিন্তু এই ডেয়ারি প্রোডাক্টে এত বেশি পরিমাণ ক্যালোরি থাকে যে, অনেকেরই এতে শরীর খারাপ হয় এবং এত বেশি ক্যালোরি হার্টে সমস্যা করতে পারে।
কিন্তু ইংল্যান্ডের এই ব্যক্তি এত কিছু ভাবছেনই না। চিজ ভালোবাসেন, তাই রোজ চিজ খাচ্ছেন মন ভরে। শুনলে অবাক হতে পারেন, কেন্ট প্রদেশের এই ব্যক্তি রোজ ৮০০ গ্রাম করে চিজ খান। দুপুরের খাবারে তো তাঁর চিজ লাগেই, লাগে রাতের খাবারেও। আর মোট সপ্তাহে ৬ কেজির কাছাকাছি চিজ খান তিনি।
ল্যাডবাইবেল-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্ক কিং নামে ওই ৫২ বছরের ব্যক্তি গত ২৫ বছর ধরে এই একই রুটিনে চলছেন এবং প্রতি দিন ৪০০ গ্রাম চিজ সকালে ও রাতের খাবারে চাই তাঁর। শেডার চিজই এক্ষেত্রে পছন্দ করেন তিনি। কিন্তু পামেজান থেকে মোজারেলাও বাদ যায় না।
এই সংক্রান্ত এক সাক্ষাৎকারে তাঁর স্ত্রী ট্রেসি উইন্টার জানিয়েছেন, একটা ৪০০ গ্রামের গোটা চিজ ব্লক দুপুরে ওর স্যান্ডউইচে দেওয়া হয়। আমি নিজেই বানিয়ে দিই। স্যান়্উইচটিতে যে শুধুই চিজ থাকে তা নয়, থাকে মেয়োনিজ, বিভিন্ন সমুদ্রের মাছ, সবজি ও আরও অনেক কিছু। এই একই স্যান্ডউইচ রাতেও ও খায়। ওই স্যান্ডউইচটিতেও ৪০০ গ্রাম চিজ থাকে।
অনেকেই শুনে ভাবছেন, মার্ক নিশ্চয়ই খুব মোটা হবে। কিন্তু না, অবাক লাগতে পারে শুনলে, মার্কের ওজন কিন্তু মোটে ৯২ এবং তাঁর এইট প্যাক অ্যাবসও রয়েছে। সুঠাম চেহারার অধিকারী তিনি। এমনকি হজমেও তাঁর কোনও দিন কোনও সমস্যা হয় না।
তা হলে কোথায় যায় এত ক্যালোরি? মার্কের স্ত্রী জানান, ক্যালোরি বার্ন করতে সাহায্য করেছে ওর চাকরি। তিনি জানিয়েছেন, মার্ক এর আগে কাঠের কাজ করত। পাশাপাশি গার্ডেনিংয়ের কাজও করত। ফলে সেখানকার পরিশ্রম, তাঁকে ক্যালোরি বার্ন করতে সাহায্য করেছে।
ট্রেসি আরও জানান, তাঁদের বাড়িতে প্রত্যেক দিন সন্ধ্যে ৬টা নাগাদ রাতের খাবার খাওয়া হয়। মার্ক সেটার পর রাত ১০.৩০ থেকে ১১টা নাগাদ একটা স্যান্ডউইচ খান। যাতে ওই চিজটা থাকে। কিন্তু কোনও দিন শারীরিক তেমন কোনও সমস্যার সম্মুখীন তিনি হননি।